আমাদের সম্পর্কে
পারমিতার প্রতিদিনে স্বাগতম!
এ ওয়েবসাইটের প্রতিটি লেখা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার (WHO, CDC, AAP) গাইডলাইন থেকে বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে।প্রতিটি অনুবাদ একজন শিশু বিশেষজ্ঞ পর্যালোচনা করেছেন। সারা বিশ্বের কোটি বাংলাভাষী বাবা-মায়ের সুবিধার জন্য এমিলের প্রথম জন্মদিনে এই আয়োজন।
আমার নাম পারমিতা হিম। জন্ম ২৫ শে ডিসেম্বর, ১৯৮৯, চট্টগ্রামে। প্রি ক্যাডেট ট্যালেন্ট স্কুলে প্রাথমিক, চট্টগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও চট্টগ্রাম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং স্নাতক করেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে। ইন্টার্নশিপের অংশ হিসেবে অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৬ মাস শিক্ষকতা করি।
শিশু মনোবিজ্ঞান ও নির্দেশনা নিয়ে আমার পড়াশোনা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেই শুরু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘এডুকেশনাল সাইকোলজি অ্যান্ড গাইডেন্স’ নিয়ে মাস্টার্স পড়তে শুরু করি। কিন্তু শেষ করিনি কারণ থিসিস জমা দেয়ার আগেই পারিবারিক কারণে চাকরি করতে শুরু করতে হয়েছে বেসরকারি টিভি চ্যানেল ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনে।
পরে আরেক বেসরকারি টিভি চ্যানেল সময় টেলিভিশনে সংবাদকর্মী হিসেবে কাজ করি ৬ বছর। সেসময় অনেকেই হয়ত আমাকে টিভিতে খবর পড়তে দেখেছেন।
২০১৯ সালে ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং করপোরেশন-বিবিসি’র বাংলা বিভাগে মাল্টিমিডিয়া ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট হিসেবে যোগ দেই। বিবিসি-তে কাজ করার সময়ই আমি ভিডিও বানানো, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্টের নানা বিষয় হাতে কলমে শিখেছি।
লেখালিখি করা আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ। ছাত্রজীবন থেকে অনুবাদ করা, ফিচার লেখার কাজ করেছি।পত্রপত্রিকায় ছোট গল্পও লিখেছি। আমার প্রথম উপন্যাস ‘নারগিস’ প্রকাশিত হয় ২০১৮ সালে। ২০১৯ এ প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় উপন্যাস ‘উত্তম ও মানসীর রহস্যময় প্রেম’। ২০২১ এ ছোট গল্প “বর্ষার বিয়ে” বইমেলায় প্রকাশিত হয়।
২০২১ সালের শেষের দিকে আমি বিবিসি বাংলার চাকরি ছেড়ে দেই এবং বাংলাদেশ থেকে নিউ ইয়র্কে চলে আসি। আমার বর মুস্তাফিজ রহমান নিউ ইয়র্ক সিটির পুলিশ ডিপার্টমেন্টে কাজ করে। ২০২২ সালের জুন মাসে আমাদের প্রথম সন্তান এমিল রহমানের জন্ম হয় নিউ ইয়র্কের একটি হাসপাতালে।
আমরা দুজন মিলে এই সদ্যজাত শিশু নিয়ে মোটামুটি দিশেহারা হয়ে পড়ি। আমাদের কাছে ফোন করলেই ডাক্তার, কিংবা মোবাইল টিপে গুগল করলেই আন্তজার্তিক সংস্থার গাইডলাইন দেখার সুযোগ আছে। তাছাড়া ইংরেজি ভাষায় নানারকম ওয়েবসাইট আছে যা নতুন বাবা-মাকে শিশু পালনে সাহায্য করে। যেহেতু বাংলা ভাষায় এরকম কোনো প্লাটফর্ম নেই এবং বাংলা ভাষাটাই আমি খুব ভালো করে জানি তাই ওই সময় আমাদের মত বাবা-মায়ের কথা ভেবে আমি বাংলায় মাম ভ্লগ শুরু করি।
পারমিতার প্রতিদিন– এই নামে আমার একটি ফেইসবুক পেইজ ও ইউটিউব চ্যানেল আগেই ছিল। সেখানে ‘প্লেনের টয়লেট কিভাবে ব্যবহার করতে হয়’ বিষয়ক ভিডিওটি সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়। এমিলের জন্মের পর তার প্রতিদিনকার নানা বিষয় নিয়ে আমি ভিডিও বানাতে শুরু করি। ডাক্তারের পরামর্শ, আমাদের অভিজ্ঞতা, আমার ভাষা দক্ষতা ও ভিডিও বানানোর দক্ষতা এই সব মিলিয়ে প্রতিদিন আমার ভিডিওগুলি কয়েক লাখ লোকের কাছে পৌঁছায়।
এমিলের জন্মের পরে আমরা যখন বাংলাদেশে ভিডিও কলে কথা বলতাম তখন প্রায়ই দেখা যেত এমিলকে ওর বাবা ফিডারে করে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছে। এটা দেখে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করত যে বুকের দুধ ফিডারে নিয়ে খাওয়ানো যায়!
এমন নানা ঘটনা দেখে আমার কাছে মনে হয়েছে শিশু পালনের আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিগুলো আমাদের বাংলাভাষী মানুষের কাছে পৌঁছানো গেলে বাবা-মা সর্বোপরি শিশুরা অনেক উপকৃত হবে।
পারমিতার প্রতিদিন– ভ্লগে আমি প্রচুর সাড়া পেয়েছি। সেই সঙ্গে এক মিনিটের ভিডিওর কিছু সীমাবদ্ধতাও খুঁজে পেয়েছি। সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্যই এই ওয়েবসাইট, যেখানে শিশু পালনের নানা দিক নিয়ে উন্নত বিশ্বের গবেষণা ও নির্দেশনাগুলি আপনারা সহজ বাংলায় বিস্তারিত জানতে পারবেন।
এ ওয়েবসাইটের প্রতিটি লেখা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা (WHO, CDC, AAP) গাইডলাইন থেকে বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে। প্রতিটি বাংলা অনুবাদ একজন শিশু বিশেষজ্ঞ পর্যালোচনা করেছেন।কোনো কোনো লেখায় আমি নিজে আমার অভিজ্ঞতাটুকু যোগ করেছি।
সারা বিশ্বের কোটি বাংলাভাষী বাবা মায়ের সুবিধার জন্য এমিলের প্রথম জন্মদিনে আমাদের পরিবারের তরফে এই আয়োজন। আমরা চেয়েছি আমাদের সন্তানের প্রথম জন্মদিনের উপহার এমন কিছু হোক যাতে সেটা তার আজীবন মনে থাকে। এবং অন্যদেরও উপকারে আসে।
আপনাদের ভালোবাসা ও আন্তরিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে ইমেইল করুন: paromitar.protidin@gmail.com
The mission is to provide affordable, high-quality early education and childcare services for working families to ensure every child.
The mission is to provide affordable, high-quality early education and childcare services to ensure every working family.