এ আর্টিকেলে যা থাকছে বাচ্চার ময়লা জিনিস খাওয়া বা মুখে দেয়া কোনো খারাপ স্বভাব না। এটা সুস্থ স্বাভাবিক বাচ্চার লক্ষণ। এভাবেই বাচ্চা নিজের হাতে খাওয়ার দক্ষতা রপ্ত করে। নতুন খাবারের প্রতি আগ্রহ দেখায়। ১৮ মাসের কম বয়সী শিশুর নাগালে কোনো ময়লা রাখাই যাবে না। ঘরদোর বেবিসেইফ করতে হবে। মেঝে পরিস্কার ও শুস্ক রাখতে হবে। যা
এ আর্টিকেলে যা থাকছে শিশুর আবেগ শিখনে খেলাধুলা কেন আয়নায় মুখ দেখে অনুভূতি শেখা নাচের মাধ্যমে অনুভূতি প্রকাশ ড্রয়িং বা আঁকিবুঁকির মাধ্যমে অনুভূতি প্রকাশ তুমি কেমন অনুভব করতে? কাগজের প্লেটে মুখ আঁকা বিভিন্ন অনুভূতির মুখ খোঁজা অনুভূতির গান শিশুর বেড়ে ওঠার সময় শারীরিক বৃদ্ধির সাথে সাথে মানসিক বিকাশও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক বিকাশের জন্য শিশুদের
এ আর্টিকেলে যা থাকছে রান্নাঘরে ১১ টি খেলার কৌশল রান্নাঘরের প্রতি আপনার বাচ্চার অমোঘ আকর্ষণ? শিশুর বুদ্ধি বাড়ায় এমন অনেক কাজ রান্নাঘরে সম্ভব। সে রান্নাঘরে যেতে এত উদগ্রীব জানতে চান? এটা কিন্তু সব বাচ্চারই থাকে। রান্নার কাজে সাহায্য করা শিশুর জন্য দারুণ সেনসরি প্লে বা খেলা। আপনার বাসা যদি শিশু পার্ক না হয়ে থাকে তাহলে
এ আর্টিকেলে যা থাকছে কাঁথা দিয়ে লুকোচুরি খেলা কাঁথা দিয়ে আকৃতি খেলা কাঁথা টেনে কাছে আনা কাঁথার ওপরে চড়া কাঁথা দিয়ে টানাটানি খেলা কাঁথা দিয়ে খেলা শিশুর সাথে ঘরের জিনিস দিয়ে খেলার একটি অসাধারণ উপকরণ। কাঁথা/কম্বল/কাপড় আমাদের সবার বাসায় আছে। আর সব শিশুই কাপড় দিয়ে খেলতে পছন্দ করে। এলোমেলো কাপড় দেখে রাগ না হয়ে বরং
এ আর্টিকেলে যা থাকছে ০-৩ মাস বয়সী শিশুর খেলা ৪-৮ মাস বয়সী শিশুর খেলা ৯-১২ মাস বয়সী শিশুর খেলা শিশুর বুদ্ধি বাড়ে যেসব খেলায় সেগুলো খুবই সহজ ও সাধারণ কৌশল। শিশুর খেলা শুধুই খেলা নয়। খেলার ছলেই শিশুকে শেখানো যায় অনেককিছু। প্রতিদিন শিশুর খেলার পেছনে সময় দিন। কারণ এটা ওর খাওয়ার মতই গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর সামাজিক,
এ আর্টিকেলে যা থাকছে খেলাধুলা বা অ্যাকটিভ প্লে কী? শিশুকে কেন খেলাধুলায় উৎসাহ দেব? কখন থেকে খেলা শুরু করবেন? কোন বয়সী শিশুর সাথে কিভাবে খেলবেন? খেলাধুলা শিশুর শারীরিক সক্ষমতা বাড়ায়, বাড়ন্ত মাংসপেশী ও হাড় সবল হতে সাহায্য করে। অ্যাকটিভ প্লে বলতে বোঝায় যে খেলায় শিশুর অংশগ্রহণ থাকে। ধরুন শিশু মোবাইলে ভিডিও গেইমস খেলল, এটা অ্যাকটিভ